Posts

Showing posts from February, 2021

ফেসবুক যখন হারাম

Image
ফেসবুক যখন হারাম (1) ফেসবুকের নেশা যখন আমার নামাজকে বিলম্বিত করিয়ে দেয় ফেসবুক তখন হারাম। (2) যখন আমার ওয়ালে/পেইজে অনৈসলামিক কিছু থাকে, আল্লাহ্ ও তার রাসুল(সা:) নারাজ হন এমন কিছু থাকে, তখনো ফেসবুক হারাম। (3) যখন আমার প্রোফাইল পিকচারে একজন উলঙ্গ বা অর্ধলঙ্গ নারীর ছবি থাকে, তখনো ফেসবুক হারাম। (4) যখন ফেসবুক আমাকে আল্লাহ্‌র যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে রাখে, তখনো ফেসবুক হারাম। (5) যখন ফেসবুকের পুরো সময়টাই অনর্থক চ্যাট, অনর্থক ঝগড়া-গালিতে ব্যয় হয়, তখনো ফেসবুক হারাম। (6) ফেসবুক যখন বেগানা নারী বা পুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যম হয়, তখনো ফেসবুক হারাম আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন, "সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তা সংরক্ষণ করে রাখার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী আছে।"                                           [সূরা ক্বাফ: ১৮] (7)ফেসবুকে যখন প্রেম ভালোবাসা স্ট্যাটাস লাইক শেয়ার দিয়ে অন্যকে আকৃষ্ট করে তখন ফেসবুক হারাম। (8) ফেসবুকে যখন অন্যকে নিয়ে সমলচনা ও গীবত করা হয় তখন ফেসবুক হারাম ফ...

রাসুল (সাঃ) ঘুমানোর পূর্বে যে আমলগুলো করতেন

Image
  রাসুল (সাঃ) ঘুমানোর পূর্বে যে আমলগুলো করতেন:- ১- দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাতে ফুঁ দিবে : তারপর দুই হাতের তালু দ্বারা দেহের যতোটা অংশ সম্ভব মাসেহ করবে। মাসেহ আরম্ভ করবে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও দেহের সামনের দিক থেকে। (এভাবে ৩ বার করবে।) (বুখারি-৫০১৭) ২- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়বে শয়তান সারা রাত তার নিকটে যাবে না।(বুখারি-২৩১১) ৩- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত (আ-মানার রাসূলু--) তেলাওয়াত করবে এটা তার জন্য যথেষ্ট হবে ”। (বুখারি- ৪০০৮) ৪- নবী (সাঃ) বলেছেন, রাতে (কুল ইয়া আইয়্যু হাল কা-ফিরুন) (অর্থাৎ সূরা কা-ফিরুন) পাঠ করা শির্ক থেকে মুক্তি পেতে উপকারী।  (সহীহ তারগীব-৬০২) ৫- একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার সাহাবাদের বললেন, “তোমাদের কেউ কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অসমর্থ হবে?” এতে সকলকে বিষয়টি ভারী মনে হল। বলল, একাজ আমাদের মধ্যে কে পারবে, হে আল্লাহ্র রাসূল?! তিনি বললেন, সূরা ইখলাস হল এক তৃতীয়াংশ কুরআন। (বুখারী- ৫০১৫) ৬- “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন তা...

তাওবা ইস্তিগফারের উল্লেখযোগ্য সতেরোটি উপকারিতা

Image
  তাওবা ইস্তিগফারের উল্লেখযোগ্য সতেরোটি উপকারিতাঃ ০১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।  ০২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।  ৯৩। দ্বীন পালন সহজ হয় এবং কর্মজীবন হয় সুখের।  ০৪। আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।  ০৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়। ০৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়। ০৭। দ্বীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়। ০৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়। ০৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।  ১০। দুশ্চিন্তা এবং পেরেশানি দূর হয়। ১১। বেকারত্ব দূর হয়। ১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয়। আর তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন। ১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে। ১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে।  ১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে। ১৬। মন্দ কজ থেকে বেঁচে থাকা যা...

তাওবা-ইস্তিগফার কিভাবে করতে হবে? এবং ইস্তেগফার এর দু'আ সমূহ

Image
   তাওবা-ইস্তিগফার কিভাবে করতে হবে? এবং ইস্তেগফার এর দু'আ সমূহ  ***********************************************  ইস্তিগফারঃ ইস্তিগফার শব্দের অর্থ, ক্ষমা চাওয়া। আর শরিয়তের পরিভাষায় এর অর্থ হচ্ছে, মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে নিজের পাপ ও গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং গুনারাশি মাফ পাওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়া।   ইস্তিগফারের ফযীলত এবং ইস্তিগফার সম্পর্কে মহান আল্লাহর নির্দেশঃ ইস্তিগফার সম্বন্ধে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ ঈরেনঃ -------"তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল।" -----(সুরা-৭১ নূহ, আয়াত: ১০) -------"অতঃপর তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।" -----(সুরা-১১০ নাসর, আয়াত: ৩) -------"আর আল্লাহ তা'আলা আজাব দেবেন না তাদের, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায়; আর আল্লাহ তাদের আজাব দেবেন না, যখন তারা ইস্তিগফার করে।" -----(সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩) তাওবাঃ তাওবা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো, ফিরে আসা। অর্থাৎ- মানুষ যখন ভুল পথে বা পাপের পথে বা কোন গুনাহের পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন স...

তাওবা-ইস্তিগফার কি?

Image
  তাওবা-ইস্তিগফার কি? ইস্তিগফারঃ ইস্তিগফার শব্দের অর্থ, ক্ষমা চাওয়া। আর শরিয়তের পরিভাষায় এর অর্থ হচ্ছে, মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে নিজের পাপ ও গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং গুনারাশি মাফ পাওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়া।    রা-১১০ নাসর, আয়াত: ৩) -------"আর আল্লাহ তা'আলা আজাব দেবেন না তাদের, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায়; আর আল্লাহ তাদের আজাব দেবেন না, যখন তারা ইস্তিগফার করে।" -----(সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩)  তাওবাঃ তাওবা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো, ফিরে আসা। অর্থাৎ- মানুষ যখন ভুল পথে বা পাপের পথে বা কোন গুনাহের পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন সেখান থেকে সঠিক পথে বা ভালো পথে বা মহান আল্লাহর পথে ফিরে আসাকে তাওবা বলা হয়। আর তাওবার পারিভাষিক অর্থ হলো, লজ্জিত হওয়া। অর্থাৎ-স্বীয় কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা!  তাওবার জন্য করণীয় হলো, স্বীয় কৃতকর্মের প্রতি লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া, সেই অপরাধ আর না করার দৃঢ় প্রত্যয় ও সংকল্প গ্রহণ করা এবং তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা বা বিরত রাখা এবং নেক আমলের প্রতি অতি বেশিমাত্রায় মনোযোগী হওয়া।  ️তাওবা সম্পর্কে পবিত্র আল-কুরআনে মহান আল্লাহ তা...

রজব মাসের বিশেষ ইবাদত বন্দেগী

Image
প্রশ্ন: রজব মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোনও নামায, রোযা, উমরা, ইতিকাফ ইত্যাদি ইবাদত সুন্নাহ দ্বারা কি সাব্যস্ত হয়েছে? উ ত্তর: রজব মাসে বিশেষভাবে নফল রোযা রাখা, নফল নামায পড়া, উমরা আদায় করা অথবা ইতিকাফ করা সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। বরং এ উপলক্ষে বিশেষ কিছু ইবাদত করা দ্বীনের মধ্যে সৃষ্ট বিদআতের অন্তর্ভুক্ত। যারা এ সব করে তারা এমন কিছু হাদিস দ্বারা দলীল পেশ করে যেগুলো দুর্বল অথবা বানোয়াট। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন: “রজব ও শাবানকে মিলিয়ে একসাথে পুরো দু মাস বিশেষভাবে রোযা রাখা অথবা ইতিকাফ করার সমর্থনে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবিগণ, কিংবা মুসলিমদের ইমামগণের পক্ষ থেকে কোন প্রমাণ নেই। তবে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসে রোযা রাখতেন। তিনি রমাযান মাসের আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে শাবান মাসে যে পরিমাণ রোযা রাখতেন রমাযান ছাড়া বছরের অন্য কোন মাসে এত রোযা রাখতেন না।” (বুখারি, কিতাবুস সাওম, মুসলিম, কিতাবুস সিয়াম) রজব মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষভাবে রোযা রাখার ব্যাপারে কিছু হাদিস দুর্বল আর অধিকাংশই বানোয়াট। আহলে ইলমগণ এগুলোর প্রতি নির্ভর করেন না। এগুলো সে সকল দু...

দুনিয়ার পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কষ্ট লাগে কিন্তু আল্লাহর পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কষ্ট লাগে না কেন?

Image
 দুনিয়ার পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কষ্ট লাগে কিন্তু আল্লাহর পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে কষ্ট লাগে না কেন?  আমরা যারা দুনিয়ার  উদ্দশ্যে কোনো পরীক্ষা দিই এবং তাতে ব্যর্থ হই  তখন কতই না দুঃখ পাই। আচ্ছা একটু বুঝিয়ে বলি যারা আমাদের মতো জেনারেল লাইনে পড়েন তারা যখন কোনো পরীক্ষা দেই এবং খারাপ রেজাল্ট বা ফেল করে তাহলে কত কান্নাকাটি করি,মন খারাপ করে বসে থাকি।  এখন চিন্তার বিষয় হলো,দুনিয়ার মাএ কয়দিনের। আর তার উদ্দেশ্য কোনো পরীক্ষায় ফেল করলে কতো কষ্ট লাগে।কিনতু আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লার দেওয়া কত পরীক্ষায় আমরা ফেল করছি তার জন্য কেনো কষ্ট হয় না? কেনো মন খারাপ হয় না? এটা কি ভাববার বিষয় নয়? কেনো আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লার শত শত  পরীক্ষায় ফেল হওয়ার পর ও একটুও কান্না আসেনা। অথচ এস এস সি বা এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করলে কান্না থামে না।আচছা কিসের এতো মায়া? যে মায়া আমার পরকালে কাজে আসলো না তার জন্য কেনো এতো কিছু।এই দুনিয়া তো মাএ পরীক্ষাক্ষেএ।আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লা বলেন:- "তোমাদের সম্পদ ও সন্তান সন্ততি তোমাদের জন্য পরীক্ষা। আল্লাহরই নিকট রয়েছে মহা পুরস্কার।" ( সুরা আত তাগাবুনঃ১৫) আল্লাহ সু...

ইসলাম প্রচারে অংশ গ্রহণ করতে চান,যেভাবে করবেন?

Image
  বিশ্ব মানবতার মুক্তিদূত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেনঃ “ তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ একজন লোককেও হেদায়াত দেন তবে তা তোমার জন্য একটি লাল উট পাওয়া থেকেও উত্তম।” (বুখারী ১২/৩৭) তিনি আরো বলেনঃ “যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে আহবান করে সে ঐ পরিমাণ সোয়াবের অধিকারী হয় যে ব্যক্তি তদানুযায়ী আমল করে। এতে কারো সোয়াবের ঘাটতি হয় না।”এ জন্য আপনার কর্তব্য হল, আপনার পরিচিত অমুসলিমদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান জানান। এবং দাওয়াতী কাজ শুরু করুন আপনার পিতা-মাতা, সন্তানাদি, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব ইত্যাদি পরিবার এবং নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে।  আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেনঃ   “(হে নবী), আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করুন।” (সূরা শু’আরাঃ ১১৪) আপনি তাদেরকে অর্থাৎ আপনার পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের কে এবং পরিচিত মানুষকে  হোক সে মুসলিম আর অমুসলিম সঠিক দ্বীনের শিক্ষা দিন। দ্বীনের প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। তাদেরকে এই শুভসংবাদ দিন যে, দ্বীন মেনে চললে দুনিয়ায় মিলবে সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে তাদের জন্য ...

কিয়ামতের আলামত ও বর্তমান বিশ্বের কিছু আলামত

Image
  কেয়ামতের আলামত<>সময় দ্রুত চলে যাবে <> মানুষ তার প্রতিবেশীকে, চাচাতো  ভাইকে এবং নিকট আত্মীয়-স্বজনকে পর্যন্ত  হত্যা করবে:-  < >মিথ্যা কথা বলা অজ্ঞ মূর্খ  ব্যক্তিরা ফতুয়া দিবে সময় দ্রুত চলে যাবে, কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে সময় দ্রুত চলে যাবে, রাসুল (সা) বলেন:- "সময়  ছোট হয়ে যাওয়ার পূর্বে কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবেনা। এক বছরকে একমাসের সমান  মনে হবে। এক মাসকে এক সপ্তাহের সমান মনে হবে। এক সপ্তাহকে একদিনের মত মনে  হবে এবং এক দিনকে এক ঘন্টার সমান মনে হবে।(মুসনাদে আহমাদ ও তিরমিযী।"  ( ইমমান  আলবানী সহীহ বলছেন, সহীহুল জামে আস্ সাগীর হাদীছ নং-৭২৯৯) ব্যাখ্যা:- সময় ছোট হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো সময়ের বরকত কমে যাওয়া। আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানী (রঃ) বলেনঃ আমাদের সময়ে এই আলামতটি প্রকাশিত হয়েছে হচ্ছে  কিয়ামতের পূর্বে প্রকৃতভাবেই সময় খাট হয়ে যাবে এবং তা দ্রুত চলে যাবে। বরকত কমে যাবে এই কারনে দ্রুত দিন, সপ্তাহ, মাস চলে যাবে   আর এই দিকে বিজ্ঞান ভাবে কিছু সময় হ্রাস পাচ্ছে :-  গত  ৫০ বছরে তুলনায় পৃথিবী যত দ্রুত গতিতে ঘুরছে, তত...

একজন অবিশ্বাসের বিশ্বাস

Image
 আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত ব্লক ভিজিটররা আমি অনেকদিন পরে আবার লেখা শুরু করতেছি আশা করি আপনারা আমার লেখা গুলো পড়বেন l একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস আজকে আপনার টাইটেল দেখে একটু বিস্মিত হয়েছেন " একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস " এটা আবার কেমন টাইটেল জি হ্যাঁ এটাই আজকের টাইটেল একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস পৃথিবীতে যত মানুষ আছে সকলেই কোন না কোন বিষয়ে বিশ্বাসী   বিশ্বাস দুই প্রকার :  1. না দেখে বিশ্বাস করা  2.দেখে বিশ্বাস করা  আবার মুমিনদের বিশ্বাস একরকম নাস্তিকদের বিশ্বাস আরেকরকম, মুমিনরা বিশ্বাস করে পৃথিবীতে যা কিছু দেখি না দেখি সকল কিছুই মাখলুকাত, সৃষ্টি মাখলুক কিছু করতে পারে না আল্লাহ ছাড়া  আর স্রষ্টা সব কিছুই করতে পারে মাখলুক বা সৃষ্টি ছাড়াl আবার নাস্তিকদের বিশ্বাস হলো তারা যা দেখবে তাই বিশ্বাস করে আর যা দেখে না তারা তা বিশ্বাস করতে চায় না বা করে নাl কিন্তু নাস্তিক ভাই আপনি একটু চিন্তা করে দেখুন  আপনারাও তো অনেক কিছুকে না দেখে বিশ্বাস করেন l  যেমনে, এ কথা  আপনার জীবনের চিন্তাভাবনা তে কখনো আসেনি যে আপনার আসল পিতা-মাতা আপনার বর্তমান পিতা-মাতা কিনা? আপন...

কেয়ামতের আলামত, মানুষ লাঠি ও জুতার ফিতার সাথে কথা বলবে

Image
  আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার  প্রাণ! কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত না হিংস্র প্রাণী মানুষের সাথে  কথা বলবে, যে পর্যন্ত না কারো চাবুকের মাথা এবং জুতার ফিতা তার সাথে কথা  বলবে এবং তার উরুদেশ বলে দিবে তার অনুপস্থিতিতে তার পরিবার কি করেছে- তিরমিজি - ২১৮১ মিশকাত (৫৪৫৯)                          Please visit our page  https://facebook.com/Islamprocharprosar/ এই হাদিস বলে- লাঠি ও জুতার ফিতা মানুষের সাথে কথা বলবে, মালিকের অবর্তমানে বাসায় কি কি হয়েছে তা বর্ণনা করবে। ইত পুরবে  এই হাদিস ঘটেছে বলে প্রমান না পেলেও এখন স্পষ্ট ওয়েব ক্যাম, বিভিন্ন গেজেট ও স্মার্ট device headphone talking air phone speaker জুতার সাথে যুক্ত  হয়ে বাজারে এসেছে কয়েক বসর- Google project talking shoe,     যা হাদিসের সাথে মিলে যাচ্ছে যা  ১৪৪২ বসর আগে রাসুল (সাঃ) বলে গেছেন এই দিকে মহামারি  পুরা পৃথি...

আপনি কি অনেক রাত জাগেন?/আপনি কি জানেন রাতজাগা ক্যান্সারের কারণ?

Image
 আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম রাত জাগা পছন্দ করতেন না এবং সাহাবায়ে কেরামদের তাগিদ দিতেন এশার নামাজের পরেই ঘুমিয়ে যেতে I  রাসূল (সা.) এশার নামাজ  এক তৃতীয়াংশ রাত পরিমাণ দেরি করে নামাজ পড়া পছন্দ করতেন আর এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পরে না ঘুমিয়ে গল্প-গুজব করা অপছন্দ করতেন.       (সহি বুখারী, হাদিস:599) মানুষের সুস্থ স্বাচ্ছন্দ এবং সুন্দরভাবে জীবন-যাপন এর জন্য রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো অত্যন্ত জরুরী আর আমাদের ঘুমের সঠিক সময় হচ্ছে রাত  কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন," আমি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিন্দা দিয়েছি, তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছি আবরণস্বরূপ এবং দিনকে বানিয়েছি তোমাদের কাজের জন্য."                       ( সূরা নাবা আয়াত 9-11) এজন্য আমাদের রাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো প্রয়োজন => বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সার বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি অফ রিসার্চ অন ক্যান্সার এর তথ্য মতে যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা ...