আপনি কি অনেক রাত জাগেন?/আপনি কি জানেন রাতজাগা ক্যান্সারের কারণ?
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম রাত জাগা পছন্দ করতেন না এবং সাহাবায়ে কেরামদের তাগিদ দিতেন এশার নামাজের পরেই ঘুমিয়ে যেতে I
রাসূল (সা.) এশার নামাজ এক তৃতীয়াংশ রাত পরিমাণ দেরি করে নামাজ পড়া পছন্দ করতেন আর এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পরে না ঘুমিয়ে গল্প-গুজব করা অপছন্দ করতেন. (সহি বুখারী, হাদিস:599)
মানুষের সুস্থ স্বাচ্ছন্দ এবং সুন্দরভাবে জীবন-যাপন এর জন্য রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো অত্যন্ত জরুরী আর আমাদের ঘুমের সঠিক সময় হচ্ছে রাত
কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন," আমি তোমাদের বিশ্রামের জন্য নিন্দা দিয়েছি, তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছি আবরণস্বরূপ এবং দিনকে বানিয়েছি তোমাদের কাজের জন্য." ( সূরা নাবা আয়াত 9-11)
এজন্য আমাদের রাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো প্রয়োজন
=> বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সার বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি অফ রিসার্চ অন ক্যান্সার এর তথ্য মতে যখন সূর্যের আলো থাকে না তখন শরীরকে কাজ করতে বাধ্য করা বা জাগিয়ে রাখা শরীরের মেলাটনিন হরমোন তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে. আর মেলাটনিন হরমোন ই মানবদেহের টিউমার বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে ফলে এই গবেষণা সংস্থার ধারণা রাতে, রাত জাগা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য অন্যতম একটি দায়ী কারণ
এর দ্বারা বুঝা গেল রাতের ঘুম অত্যন্ত জরুরী দিনে ঘুমিয়ে রাতের ঘুম কে পোষানো যায় না
অন্ধকারে যেহেতু এই হরমোন বৃদ্ধি ঘটে তাই রাতের বেলা লাইট নিভিয়ে ঘুমাতে হবে আমরা যদি লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাই তাহলে আমরা আমাদের অজান্তেই আমাদের দেহে রোগ সৃষ্টিতে সাহায্য করছি
সুতরাং ইসলামকে মানুন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন এবং এশার পরেই ঘুমিয়ে যান এবং ফজরের নামাজে তাড়াতাড়ি উঠে যায় এবং মিরাক্কেল মর্নিং এর সুবাস পান

Comments
Post a Comment