তাওবা ইস্তিগফারের উল্লেখযোগ্য সতেরোটি উপকারিতা
তাওবা ইস্তিগফারের উল্লেখযোগ্য সতেরোটি উপকারিতাঃ
০১। অধিক ইস্তিগফারের কারণে প্রচুর বর্ষণ হয়। বাগান ও শস্যে ভালো ফসল হয়। নদী-নালা থাকে জীবন্ত।
০২। ইস্তিগফারকারীকে আল্লাহ উত্তম সন্তান, সম্পদ ও জীবিকার দ্বারা সম্মানিত করেন।
৯৩। দ্বীন পালন সহজ হয় এবং কর্মজীবন হয় সুখের।
০৪। আল্লাহ্ ও বান্দার মাঝে যে দূরত্ব আছে, তা ঘুচে যায়।
০৫। ইস্তিগফারকারীর কাছে দুনিয়াকে খুব তুচ্ছ করে দেয়া হয়।
০৬। মানব ও জীন শয়তান থেকে তাকে হিফাযত করা হয়।
০৭। দ্বীন ও ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করা যায়।
০৮। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হয়।
০৯। বিচক্ষণতা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
১০। দুশ্চিন্তা এবং পেরেশানি দূর হয়।
১১। বেকারত্ব দূর হয়।
১২। আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জিত হয়। আর তাওবার কারণে আল্লাহ আনন্দিত হন।
১৩। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তার জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে।
১৪। হাশরের মাঠে মানুষ যখন প্রচন্ড গরম ও ঘামের মধ্যে থাকবে, তখন ইস্তিগফারকারী থাকবে আরশের ছায়াতলে।
১৫। কিয়ামাতের দিন মানুষ যখন অস্থির থাকবে, ইস্তিগফারকারী তখন ডানপন্থী মুত্তাকিনদের দলে থাকবে।
১৬। মন্দ কজ থেকে বেঁচে থাকা যায়।
১৭। আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণও তার জন্য দু'আ করেন।
-----(নাযরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূলঃ ২/৩০২)
মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার এবং নিয়মিত ভাবে তাওবা-ইস্তিগফারের আমল করার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা, কবুল এবং হিফাযত করুন (আল্লাহুম্মা আ-মীন)।।

Comments
Post a Comment