Posts

Showing posts from March, 2021

ভারতে রিট জারী করা আয়াত গুলোর লিস্ট

Image
ভালোই হয়েছে সবাই একসাথে জিহাদের আয়াত গুলো  পড়তে পারবে। আল্লাহ চাহেতো মুসলমানদের অন্তরে আবার জিহাদী প্রেরণা জোগাতে পারে।  নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলার কোরআনের কোন আয়াতে কোনো ত্রুটি নাই, তাফসীর না জানলে আয়াতগুলোর বিষয়বস্তু ভালোভাবে বোঝা সম্ভব নয় আশা করি উলামায়ে কেরাম এই আয়াতগুলো পড়ে এর তাফসীর গুলো মানুষকে বুঝিয়ে দিবেন মানুষ যেন গাজওতুল হিন্দ এর জন্য প্রস্তুত থাকে তার জন্য আহবান করবেন।  নিশ্চয়ই কোরআন আল্লাহু সুবহানাতায়ালা অবতীর্ণ করেছেন এবং তিনি তাঁর সংরক্ষক। 🚩1. 8:12/সূরা আল-আনফাল/আয়াত নং ১২ اِذۡ یُوۡحِیۡ رَبُّکَ اِلَی الۡمَلٰٓئِکَۃِ اَنِّیۡ مَعَکُمۡ فَثَبِّتُوا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ؕ سَاُلۡقِیۡ فِیۡ قُلُوۡبِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوا الرُّعۡبَ فَاضۡرِبُوۡا فَوۡقَ الۡاَعۡنَاقِ وَ اضۡرِبُوۡا مِنۡہُمۡ کُلَّ بَنَانٍ ﴿ؕ۱۲﴾  অনুবাদঃ  স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন যে, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের সাথে আছি। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তোমরা তাদেরকে অনড় রাখ’। অচিরেই আমি ভীতি ঢেলে দেব তাদের হৃদয়ে যারা কুফরী করেছে। অতএব তোমরা আঘাত কর ঘাড়ের উপরে এবং আঘাত কর তাদে...

ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি

Image
ওই ব্যক্তির কথা হইতে উত্তম কাহার কথা হইতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে নিজে নেক আমল করে এবং বলে আমি মুসলমানদের মধ্য হইতে একজন মুসলমান। সূরা মীম সাজদাহ: ৩৩)  আল্লাহর পথে আহ্বান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ নবী-রাসূলদের কাজ। সুতরাং যারা এ পথে কাজ করবে তাদের কথা-বার্তা ও আচরণে নবী রাসূলদের আদর্শ প্রতিবিম্ব হতে হবে। কারণ তাঁরাই দুনিয়ার মানুষের জন্য শ্রেষ্ঠ অনুকরণীয় আদর্শ। আর তাদের আদর্শ হল, নম্রতা পূর্ণ কথা ও সুন্দর আচরণ। দাওয়াতি ময়দানে রুক্ষ ও কর্কশ ভাষা এবং উগ্র আচরণ কখনও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।  নিম্নে কুরআন-সুন্নাহ ও মনিষীদের উক্তির আলোকে বিষয়টি সংক্ষেপে আলোচনা করা হল: ১. আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দাওয়াতের পদ্ধতি শিক্ষা দিতে গিয়ে বলেন: ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ ۖ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ “তোমার পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান কর হিকমত (প্রজ্ঞা) ও উপদেশপূর্ণ কথার মাধ্যমে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন সুন্দরতম পন্থায়।” (সূরা নহল: ১২৫)  ইমাম বাগাবী বলেন: কোন কোন মুফাসসির বলেছেন, ‘উপদেশপূর্ণ কথা’ হল, هو القول اللين الرقيق من غير غلظ...

সাত দোযখের বর্ণনা

Image
সাত দোযখের বর্ণনা ১। প্রথম দোযখের নাম:- " হাবিয়া " ফেরাউন, নমরুদ প্রভৃতি কাফেরগন এই দোযখে বাস করবে । ২। দ্বিতীয় দোযখের নাম:- " ছায়ির " মুশরিকগন এই দোযখে বাস করবে । ৩। তৃতীয় দোযখের নাম:-  " ছাকার " মূর্তিপূজকগন এই দোযখে বাস করবে । ৪। চতুর্থ দোযখের নাম:-  " জাহীম " শয়তান ও অগ্নিপূজকগন এই দোযখে বাস করবে । ৫। ৫ ম দোযখের নাম:-  " হুতামা " ইহুদীগন এই দোযখে বাস করবে । ৬। ষষ্ঠ দোযখের নাম:-   " লাজা " খ্রিষ্টানগন এই দোযখে বাস করবে । ৭। সপ্তম দোযখের নাম:- " ওয়াইল " আমাদের আখেরী নবী হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের যারা পাপের কাজ করে বিনা তওবায় মারা যাবে তারা এই দোযখে বাস করবে। হে আল্লাহ পাক! আপনি আমাদেরকে  দোযখের আজাব থেকে রক্ষা করেন, আমিন।

কোরআন ও হাদীসে বিয়ের গুরুত্ব

Image
ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়। মানুষ বিয়ের করার মাধ্যমেই তার চরিত্র ও সতীত্বকে রক্ষা করতে পারে। পোষাক যেমন মানুষের দেহকে ঢেকে রাখে, নগ্ন ও কুশ্রী বিষয়গুলো প্রকাশ হতে দেয় না, বিবাহ তেমনি স্বামী-স্ত্রীর দোষ ক্রটি ও যৌন উত্তেজনা ঢেকে রাখে, প্রকাশ হতে দেয় না। কোরআনের বানীঃ “আপনার পূর্বে আমি অনেক রাসুল প্রেরণ করেছি এবং তাদের জন্য স্ত্রী ও সন্তানের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।” (রা’দ-৩৮) আরো বলা হয়েছে, “আর তোমরা তোমাদের সন্তানদের বিয়ে দাও যাদের স্বামী বা স্ত্রী নেই। আর তোমাদের বিয়ের যোগ্য দাস-দাসীদের বিয়ে দাও।’ (নূর-৩২) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু মাসুদ (রাঃ) রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘ হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্য যারা বিয়ের সামথ্য রাখে, তাদের বিয়ে করা কর্তব্য। কেননা বিয়ে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী, যৌনাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষাকারী। আর যাদের সামথ্য নেই সে যেন সিয়াম পালন করে। কেননা সিয়াম হচ্ছে যৌবনকে দমন করার মাধ্যম। (বুখারী, মুসলিম, মিশতাক হা/৩০৮০ নিকাহ অধ্যায়।) উপরোক্ত কোরআন ও হাদীসে বিয়ের গুরত্ব প্রমাণিত হয়। বিয়েতে মেয়ের কোন গুনাবলীকে প্রাধান্য দিবেন? ইসলা...

অন্থীনকাল

Image
 " অন্থীনকাল " প্রিয় মুসলিম, জান্নাতের অনন্ত জীবন নিয়ে একটু চিন্তা করুন। সেখানে শুধু আনন্দই আছে, কোনো দঃখ নেই, অন্তহীন সুখের এক জায়গা যেখানে মুমিনরা যা-কিছু চায় তার সবই দেওয়া হবে, এমনকি তার চেয়েও বেশিই দেওয়া হবে। জান্নাত, যেখানে এমন সব সুখের উপকরণ আছে—যা কোনো চোখ কোনোদিন দেখেনি, কোনো কান কোনোদিন এর সমতুল্য কিছু শোনেনি, আর না কোনো অন্তর কখনো তা কল্পনা করেছে। এর আনন্দ আর সুখের উপকরণগুলো কোনোদিন শেষ বা নষ্ট হয়ে যাবে না, এমনকি লক্ষ কোটি বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও না। আখিরাত হচ্ছে অনন্ত জীবন, যার আগমন ঘটবে দুনিয়ার জীবনের শেষে। আখিরাতের জীবনের বিপরীতে এমন এক জীবন কতটুকুই বা গুরুত্বপূর্ণ—যার মেয়াদ খুব কমই শত বছরকে স্পর্শ করতে পারে, যার এক তৃতীয়াংশ পার হয়ে যায় শৈশবে, আর সত্তর বছরের ঊর্ধ্বে গেলেই যেখানে সময় কাটে দুর্বলতা আর অসহায়ত্বে? একজন মানুষের জীবনসীমার যতটুকু অবশিষ্ট থাকে তার অর্ধেক পার হয়ে যায় ঘুমে, এবং এর কিছু অংশ ব্যয় হয় পানাহার এবং জীবিকা অর্জনের কাজে। এর খুব সামান্য অংশই ইবাদতের কাজে ব্যবহৃত হয়। মানুষের কি উচিত হবে, অল্প সময়ের ইবাদতের বিনিময়ে অনন্তকালের জীবন ক্রয় করতে চাওয়া? যা...